22.4 C
Dhaka
২০ অক্টোবর, শনিবার , ২০১৮ ১১:২৯:৩৯ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
  • হোম
  • খেলা
  • ভারতীয় টিমের নাম কী? টিম ইন্ডিয়া না টিম কোহলি?
খেলা প্রচ্ছদ মতামত

ভারতীয় টিমের নাম কী? টিম ইন্ডিয়া না টিম কোহলি?

ইয়াসির ইয়ামীন: তীরে এসে তরী ডোবা হয়তো একেই বলে। আশা জাগিয়েও অধরা থেকে গেছে স্বপ্নের জয়। এজবাস্টন টেস্টে একা লড়াই করে কোহলি যে আশার বাতি জ্বালিয়েছিলেন তাঁর উইকেট পতনের পরই নিভে গেছে সেই আলো। এর মধ্যে দিয়ে আবারও পরিস্কার হলো, বিদেশের মাটিতে ম্যাচ জেতানোর জন্য যে মানসিকতার প্রয়োজন, কোহলি ছাড়া দলের অধিকাংশ ব্যাটসম্যান তা আয়ত্তই করতে পারেননি। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, ভারতীয় টিমের নাম তাহলে কী হবে? যতোই বলা হোক না কেন ভারতীয় টিমের নাম ‘টিম ইন্ডিয়া’; দিনশেষে তা বারবার অন্য নামে সামনে আবির্ভূত হচ্ছে। কারো মতে এটা ‘বিরাট ব্রিগেড’ কিংবা ‘টিম কোহলি’।

একটু পেছন ফিরে তাকালে কী দেখা যায়? ‘টিম ইন্ডিয়া’ সেই কাজীর গরুর মতো- কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। মন্তব্যটি নির্মম শোনাচ্ছে? একবার স্মৃতি ঝালিয়েই দেখুন না। গত শতকের সত্তরের দশকে ‘টিম ইন্ডিয়া’র কৃতিত্বের ধ্বজা বিদেশের মাঠে বারবার উড়িয়েছেন সুনীল গাভাসকার। এরপর নব্বই দশকে বিদেশ সফরে ‘টিম ইন্ডিয়া’-কে প্রায় একাই টেনেছেন শচীন টেন্ডুলকার। চলতি শতকের শুরু থেকে বিদেশের মাঠে শচীন নির্ভরতা কমতে থাকে, রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলী, ভিভিএস লক্ষ্মণ, বীরেন্দর সেহবাগ, গৌতম গম্ভীরদের আগমনের সুবাদে। আর ইদানিং? উত্তর সহজ- বিরাট কোহলিই একমাত্র ভরসা। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় বারবার ভুগছে ‘টিম ইন্ডিয়া’। নাগালে থাকা জয়ও হারিয়ে যাচ্ছে যোজন যোজন দূরে। এ কারণেই বিরাটের প্রতি ভক্ত-সমর্থকদের অনুরাগেরও সীমা নেই।

অবশ্য ‘টিম ইন্ডিয়া’র মুখোশটা অটুট রাখতে দলনায়ক কোহলি করুণ আর্তি জানিয়েই চলেছেন ভক্ত-সমর্থকদের প্রতি। বলেছেন, ‘শুধু আমাকে নয়, গোটা দলকে সমর্থন করুন। বেছে বেছে কোনো খেলোয়াড়ের সুখ্যাতি করলে অন্যরা চাপে পড়ে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দলের সংহতি।’

সাংবাদিক সম্মেলনেও গুগলির উত্তর দিতে হয়েছে বিরাটকে। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো, ‘বারবার আপনি নিজে রান করছেন অথচ টিম হারছে। বাকিরা পারছে না। কতোটা হতাশজনক এই পরিস্থিতি?’ উত্তরে বিরাট বলেছেন, ‘কখনো এভাবে দেখি না যে, আমি রান পেলাম অথচ দল পারলো না। খারাপ লাগার পেছনে একটাই কারণ থাকে যে, আমরা পারলাম না।’

ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট-এর কথা শুনলেই বুঝা যাবে, ‘টিম কনসেপ্ট’ কাকে বলে। রুট বলেছেন, ‘আমার ৮০ রানের ইনিংসের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, চাপের মুখে গোটা দলের শান্ত থাকা। অধিনায়কত্ব করছি যখন, তখন নিজেকে পারফর্ম করতেই হবে। কিন্তু আসল ব্যাপার হলো, দলকে অনুপ্রাণিত করা এবং একটা মন্ত্র ঢুকিয়ে দেওয়া- শান্ত থাকতে হবে।’ এই চেতনা দলের মধ্যে কতোটা সঞ্চার করতে পারেন বিরাট, তা দেখার বাকি এখনো।

২০০৩ সালে শেষবার বিদেশের মাটিতে চতুর্থ ইনিংসে একশো’র বেশি রান তাড়া করে জিতেছিলো ‘টিম ইন্ডিয়া’। ১৫ বছর পর জেতার একটা সুযোগ এসেছিলো। কিন্তু একা বিরাটের লড়াই কাজে লাগলো না। প্রথম ইনিংসে ২২৫ বলে ১৪৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৫ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৯৩ বলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে করেছেন ৫১ রান। এছাড়া উল্লেখযোগ্য অবদান বলতে হার্দিক পান্ডিয়ার ৩০ এবং দীনেশ কার্তিকের ২০ রান। একটা সময় জয়ের জন্য ৮৪ রান দরকার ছিলো ‘টিম ইন্ডিয়া’র। হাতে তখনো ৫ উইকেট। তবু শেষরক্ষা হলো না। বিরাটের আউটের পর ২১ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত। ফলাফল- ৩১ রানে পরাস্ত হয় ‘টিম ইন্ডিয়া’ ওরফে ‘বিরাট ব্রিগেড’।

সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কেপটাউন টেস্টেও ২০৮ রান তুলতে পারেনি ‘টিম ইন্ডিয়া’। তখন বলা হলো, দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটের সংগে ধাতস্থ হতে না পারায় উইকেট ছুঁড়ে দিতে হয়েছে ব্যাটসম্যানদের! কিন্তু ইংল্যান্ডে? দেড় মাস আগে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমানোর পেছনে তো একটাই উদ্দেশ্য ছিলো, পরিবেশের সংগে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া। দ্বিতীয় টেস্টেও পরিবেশের সংগে মানিয়ে নিতে না পরলে কঠিনতর প্রশ্নের মুখোমুখি যে হতে হবে ‘টিম ইন্ডিয়া’-কে, তা এখনই বলে দেওয়া যায়।

মজার বিষয় হলো- এজবাস্টন টেস্টেই চতুর্থ দিনের খেলার সময় টিভি পর্দায় একটি পোস্টারের ভাষা ছিলো- ‘কোহলি বনাম ইংল্যান্ড’। সত্যিই, এজবাস্টন টেস্ট বিরাট কোহলি বনাম ইংল্যান্ড হয়েই থাকলো। ম্যাচ শেষে একটি কাগজে শিরোনামও হলো- ইংল্যান্ড-১, কোহালি-০।

বোদ্ধারা বলছেন, ক্রিকেট তো টিম-গেম। উপযুক্ত সাপোর্ট ছাড়া একক কৃতিত্বে ম্যাচ জেতানো সম্ভব নয়। প্রথম টেস্টে ভারতের ১-০ ব্যবধানে লিড নেওয়ার পর্যাপ্ত সম্ভাবনা ছিলো। কোহলিকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান সঙ্গ দিতে পারলে হয়তো ভারত এই সিরিজে ০-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়তো না।

পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক অতীতে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিরাট যা রান করেছেন, অন্যরা তাঁর অর্ধেকও করতে পারেননি। ২০১৭-২০১৮-তে বিরাট খেলেছেন ৭টি টেস্ট। এই ৭ টেস্টে ভারতের স্কোরবোর্ডে যতো রান উঠেছে, তার ৫৪.৪৮ শতাংশ একা বিরাট করেছেন। আরেক তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বিরাট শেষ ৮টি সেঞ্চুরি যখন করেছেন, তখন শিখর ধাওয়ান, চেতেশ্বর পূজারা, আজিঙ্কা রাহানে, মুরলী বিজয়দের মতো স্বীকৃত ব্যাটসম্যানরা করেছেন মোট ৮টি সেঞ্চুরি। অর্থাৎ একা বিরাটের অবদান ৫০ শতাংশ, বাকি সবাই মিলে ৫০ শতাংশ।

বিদেশের মাঠে কোহলি ছাড়া বাকিদের অবস্থা কেমন? কী বলছে পরিসংখ্যান? আজিঙ্কা রাহানে এবং চেতেশ্বর পূজারাকে বিদেশের মাঠে সেরা দুই ব্যাটসম্যান ভাবা হয়। অথচ প্রথম জনের গত এক বছরে বিদেশের মাটিতে টেস্ট গড় ১৮। দ্বিতীয় জনের ১৫। কে এল রাহুলের গত এক বছরে বিদেশের মাটিতে টেস্ট গড় ১৮। মুরলি বিজয়ের ১৬। ইংল্যান্ডে পূজারা’র অতীত রেকর্ডও আহামরি কিছু নয়। পাঁচ টেস্টে রান করেছেন মোট ২২২, গড় ২২। নেই কোনো সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ স্কোর ৫৫।

সম্ভবত এ কারণেই দ্বিতীয় টেস্টের (লর্ডস) আগে উত্তরসূরীকে পূর্বসূরী সৌরভ পরামর্শ দিয়েছেন এই বলে- ‘দলের ক্রিকেটারদের সংগে বসতে হবে কোহলিকে। ওদের বুঝাতে হবে, আমি পারলে, তোমরাও পারবে। ওদের সাহস দিতে হবে। এটা অধিনায়কের দল। ক্রিকেটারদের মানসিকতা অধিনায়কই বদলাতে পারে।’ সৌরভ এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে সবাইকে রান করতে হবে। এটা টিম-গেম। শুধু একজন সেঞ্চুরি করলে হবে না।’ সৌরভ আরো বলেছেন, ‘অধিকাংশ ব্যাটসম্যান ক্রিজে এসেই বড় বড় স্ট্রোক নিতে চাইছে। বুঝতে পারছি না, ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যানরা এত তাড়াহুড়ো করছে কেন? এটা টেস্ট ক্রিকেট। এখানে বল ছাড়তে হবে বেশি। অন্য ব্যাটসম্যানরা রান করতে থাকলে বিরাটের ওপর থেকে চাপ কমবে। নয়তো, বয়কট যে বলেছেন, গত ৪০ বছরে কোনো ভারত অধিনায়ককে ‘ওয়ানম্যান আর্মি’ বলে মনে হয়নি তাঁর- তা খন্ডানো যাবে না।’

দ্বিতীয় টেস্টের জন্য ‘টিম ইন্ডিয়া’র একাদশ নির্বাচন নিয়েও নানান কথা হয়েছে। দেখা গেছে, ২০১৫ সালে ‘টিম ইন্ডিয়া’র অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিরাট কখনোই পরপর দু’টি টেস্টে প্রথম একাদশ অপরিবর্তিত রাখেননি। সুতরাং লর্ডস টেস্টেও ভারতীয় দলে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। অনেকে বলছেন, হার্দিক পান্ডিয়ার মতো ‘বিটস অ্যান্ড পিসেস’ অল-রাউন্ডারকে বসিয়ে কুলদীপ যাদবকে দলে নেয়া হোক অশ্বিনের স্পিনিং পার্টনার হিসেবে। কেউ কেউ রবীন্দ্র জাদেজা’র নামও তুলছেন। কারণ, এই তিন স্পিনারের মধ্যে জাদেজা’র ব্যাটের হাত সবচেয়ে ভালো। এছাড়া ফিল্ডিংয়েও তিনি চৌকস। লর্ডসে ২ স্পিনার খেলানোর কথা আগেই বলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী।

সাম্প্রতিক অতীত ঘেঁটেও দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় দলের টপ ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছেই। ২০১৪-২০১৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে ওয়ান ডাউনে খেলানো হয় রোহিত শর্মাকে। এরপর এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয় বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্টে। ব্যাটিং অর্ডারে ডিমোশন হয় রোহিতের। ওয়ান ডাউনে ফিরে আসেন আজিঙ্কা রাহানে। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে চেতেশ্বর পূজারা ফিরে পান তিন নম্বর জায়গা। এমনকি কোহলি নিজেও ওয়ান ডাউনে কয়েকবার ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন।

সকল বিচারে লর্ডস টেস্ট দু’দলের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। ০-১-এ পিছিয়ে থেকে মাঠে নামছে ‘টিম ইন্ডিয়া’। চার বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় ধোনি’র টেস্ট অবসরের পর থেকে শুরু হওয়া কোহলি যুগে লর্ডসই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হতে যাচ্ছে। এখানে জিতে প্রত্যাবর্তন ঘটাতে না পারলে আরেকটি সিরিজ হারের আতঙ্ক তৈরি হবে ‘টিম ইন্ডিয়া’র সামনে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ০-২ হলে দলের আত্মবিশ্বাস ভীষণ ধাক্কা খাবে। হয়তো হতাশা ব্যাগভর্তি করেই ‘টিম ইন্ডিয়া’কে দেশের বিমান ধরতে হবে। কোহলিও এটা স্পষ্ট বুঝতে পারছেন, লর্ডসেই তাঁদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। `Now or Never’।

ক্রিকেটের মক্কা লর্ডস-এর পরিসংখ্যান কী বলছে? এখন পর্যন্ত লর্ডসে ১৭টি টেস্ট খেলেছে ‘টিম ইন্ডিয়া’। জিতেছে মাত্র দু’টি টেস্টে। ২০১৪ সালে শেষবার ইংল্যান্ড সফরে লর্ডস টেস্টে প্রথমবার জয়ের মুখ দেখেছিলো ‘টিম ইন্ডিয়া’। প্রথম ইনিংসে আজিঙ্কা রাহানে ১০৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর দ্বিতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহক ছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। সেবার কোহলি ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। ভারতের হয়ে সর্বাধিক রান করেছিলেন মুরলি বিজয় (৯৫), দ্বিতীয় টপ স্কোরার রবীন্দ্র জাদেজা (৬৮) এবং ভুবি’র সংগ্রহ ছিলো ৫২ রান।

এদিকে লর্ডস টেস্ট নিয়েই নতুন শঙ্কা ভর করেছে। সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহের পর বৃষ্টি লন্ডনবাসীকে স্বস্তি দিলেও বিরাট-রবি’র ঘুম কেড়ে নিয়েছে। লর্ডসে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া ছিলো বিরাট বাহিনী। কিন্তু প্রথম দিনের খেলা বৃষ্টিতে প- হওয়ায় কাজটা মনে হয় একটু কঠিনই হয়ে গেলো। লর্ডস টেস্ট চার দিনে এসে ঠেকলো। টেনশন আরও আছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানাচ্ছে, সপ্তাহের শেষেও লন্ডনে বৃষ্টির শঙ্কা থাকছে। অর্থাৎ টেস্ট শুরু হলেও এটা যে বাধা-বিঘ্ন ছাড়াই শেষ পরিণতি পাবে- তা হলফ করে বলা যাচ্ছে না।

শেষ খবর জানা গেছে, লর্ডসে টস অনুষ্ঠিত হয়েছে। জিতেছেন জো রুট। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যাট করবেন। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটিই টার্নিং পয়েন্ট হতে যাচ্ছে। ভারত জিতলে সিরিজে সমতা ফিরবে। ইংল্যান্ড জিতলে? এগিয়ে যাবে ২-০ ব্যবধানে। অর্থাৎ সিরিজ জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবে। পাঁচ টেস্টের সিরিজে ০-২ পিছিয়ে পড়লে কামব্যাক করা কঠিন। তা-ও আবার অ্যাওয়ে সিরিজে।

পুনশ্চ: লন্ডনে ভারতীয় হাই কমিশনের চা-চক্র শেষে ‘টিম ইন্ডিয়া’র সংগে এক ফ্রেমে আনুশকা’র উপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সোস্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে- আনুশকা কবে থেকে ‘টিম ইন্ডিয়া’র সদস্য হলেন? সহ-অধিনায়ক হয়েও আজিঙ্কা রাহানে যেখানে শেষ সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন, সেখানে কোহলি’র স্ত্রী বলেই কি প্রথম সারিতে দাঁড়াতে পারেন আনুশকা? তৃতীয় টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটারদের সংগে স্ত্রী ও বান্ধবীদের থাকার ব্যাপারে বিসিসিআই’র নিষেধাজ্ঞা কি তাহলে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে? অনেকে বলছেন, আনুশকা যতোই ভারতীয় ক্রিকেটের ফার্স্ট লেডি হোন না কেন, ‘টিম ইন্ডিয়া’র সংগে এক ফ্রেমে তিনি বেমানান। এটা পক্ষপাতিত্ব ছাড়া কিছুই নয়।

ভয়েস বাংলা # ইই

সম্পর্কিত পোস্ট

সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির মাধ্যমে একদিনে মিলবে পাসপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

লন্ডনে শুরু হলো বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স যুদ্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট

নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৮

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত দিন