27 C
Dhaka
১১ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার , ২০১৮ ০৪:৪০:৩১ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
চিফ এডিটর’স চয়েস প্রবাস বিশেষ মধ্যপ্রাচ্য হাইলাইটস

সৌদিতে চাকরি হারিয়েছেন ৭১ শতাংশ প্রবাসী, মহাবিপাকে বাংলাদেশিরা

ওমর ফারুক: সৌদি সরকারের কঠোর নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশটির সরকারি খাতে কর্মরত ৭১ শতাংশ প্রবাসী চাকরি হারিয়েছেন। দেশটির জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় এসব শূন্যপদে অধিকতর যোগ্য সৌদি নাগরিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এতোদিন সৌদি আরবের স্বাস্থ্য ও সেবা খাতের ৯১ শতাংশ কাজ করতেন প্রবাসীরা। সরকারি এই দুই খাতে কর্মরত প্রবাসীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ৬০ হাজার। সৌদি সরকারের সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি চাকরিতে নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। এর ফলে উল্লিখিত দুই খাতে প্রায় ৭ লাখ পুরুষ কর্মীর বিপরীতে এখন নারী-কর্মীর সংখ্যা পৌনে ৫ লাখে উন্নীত হবে।

গত ৯ নবেম্বর থেকে সৌদি সরকারের শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় ইলেকট্রনিক, ঘড়ি ও চশমা খাতে পূর্বঘোষিত সৌদিকরণ নীতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই তিন খাতের ব্যবসায় বাধ্যতামূলকভাবে ৭০ শতাংশ সৌদি নাগরিক রাখতে হবে। নীতিটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দেশটির বিভিন্ন শপিংমল এবং ছোট ছোট মার্কেটে অভিযান শুরু করেছে সৌদির আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

এর আগে সেপ্টেম্বরে প্রথম ধাপে মোটর গাড়ির শো-রুম, বাইক শো-রুম, তৈরী পোশাক এবং আসবাবপত্রের শো-রুমগুলোতে প্রবাসীদের পরিবর্তে সৌদি নাগরিকদের চাকরির বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়।

জানা গেছে, সৌদিকরণের তৃতীয় ধাপের বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি। এই পর্যায়ে তারা মেডিকেল সরঞ্জামাদি, কার্পেট, বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল, গাড়ির যন্ত্রপাতি, রুটিজাত দ্রব্যের দোকান বা ব্যবসা থেকে প্রবাসীদের তাড়িয়ে সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। সৌদিকরণের সামগ্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীরা চাকরি ও ব্যবসা হারিয়ে পথে বসবেন; যার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে। গত কয়েক মাসে ব্যবসা গুটিয়ে এবং চাকরি হারিয়ে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। অনেকে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি সরকার ১২টি পেশায় ৭০ শতাংশ সৌদি নাগরিকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক করেছে। এগুলো হলো- ঘড়ি, চশমা, ওষুধ, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক, মোটর পার্টস, বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল, কার্পেট, অটোমোবাইল, ফার্নিচার, তৈরীপোশাক, শিশু ও পুরুষদের পোশাক, চকোলেট ও মিষ্টির দোকান। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নীতি বাস্তবায়নের ফলে সৌদি আরবে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এতোকাল যেসব প্রবাসী শ্রম-ঘাম-মেধা ও পুঁজিতে সৌদি অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তাঁরা একে একে পথে বসছেন।

# ভয়েস বাংলা/ এটি

সম্পর্কিত

কাতারে এম এইচ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের জাতীয় শোক দিবস পালন

ডেস্ক রিপোর্ট

বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু, খালেদা জিয়া লড়বেন ৩ আসনে

ডেস্ক রিপোর্ট

আমিরাতে বৃহত্তর ঢাকা প্রবাসী সংগঠনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক রিপোর্ট

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে ক্রীড়াঙ্গনেও শোকের ছায়া

ডেস্ক রিপোর্ট

জাতির মুক্তির পথে এরশাদের ১৮ দফা ইশতেহার

ডেস্ক রিপোর্ট

উপ-সচিব হলেন ২৭৩ কর্মকর্তা

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত