22.4 C
Dhaka
২০ অক্টোবর, শনিবার , ২০১৮ ১১:১৪:০৪ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
জাতীয় প্রচ্ছদ

সরকারি ভাতা পৌঁছে দেবে জিটুপি

ভয়েস বাংলা প্রতিবেদক:  সরকারি কোষাগার থেকে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সরাসরি ভাতাভোগীর কাছে অর্থ পাঠাতে গভর্নমেন্ট টু পার্সন (জিটুপি) পেমেন্ট সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় এই পদ্ধতিতে এখন থেকে ভাতাভোগীরা তাঁদের অর্থ পেতে ভোগান্তি বা হয়রানি মুক্ত থাকবেন।

প্রাথমিকভাবে ৭টি উপজেলায় জিটুপি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে সেগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, ঢাকার সাভার, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, গাজীপুরের কালিগঞ্জ, কালিয়াকৈর এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব। মাতৃত্বকালীন ভাতা ৭টি পাইলট উপজেলায় ভাতাভোগীদের কাছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে (জিটুপি) পেমেন্ট সিস্টেম আগে থেকেই চালু ছিলো।

এসব উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী ৮ হাজার ৮১১ জনকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত দেড় হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হয়। মাসে ৫০০ টাকা করে মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে সরকার। তবে সবক্ষেত্রে ভাতা সুবিধার এই ডিজিটাল পদ্ধতি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো আজ (বৃহস্পতিবার)।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার (১৭ মে) সচিবালয়ে ‘গভর্নমেন্ট টু পারসন’ বা ‘জিটুপি’ পেমেন্ট পদ্ধতির উদ্বোধন করেন। এই পদ্ধতির মাধ্যমে এখন থেকে সরকারি কোষাগার থেকে সুবিধাভোগীদের ভাতা তাঁদের ব্যাংক অথবা মোবাইল বা পোস্টার অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হবে। এতে ভাতাভোগীদের সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি দুর্ভোগও কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়াও সোনালী, ডাচ বাংলা, রূপালী ও ব্র্যাক ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা রকেট, বিকাশ ও শিওর ক্যাশের মাধ্যমে ভাতা সুবিধা পাবেন। ভাতাভোগীদের সচেতনতা, আর্থিক এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নিয়ে অবহিতকরণ, তালিকাভুক্তি এবং অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে ২০টি ফিল্ড ক্যাম্প করা হয়েছে।

এসব সুবিধাভোগীদের ভাতা তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা মোবাইল বা পোস্টাল অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হবে। নিজের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে অর্থ জমার বিষয়টি জানবেন ভাতাভোগীরা। নতুন পদ্ধতি প্রবর্তনের ফলে ভাতা বিতরণে বিভিন্ন অনিয়ম দূর হওয়ার পাশাপাশি ভাতাভোগীদের কাছে দ্রুত অর্থ পাঠানো যাবে। বিদ্যমান পদ্ধতিতে অর্থ ছাড়ে বিলম্বের পাশাপাশি ভাতাভোগীদের কাছে তা পৌঁছাতে দেরি হতো। ভাতা তোলার জন্য নির্দিষ্ট দিনে একটি নির্ধারিত স্থানে আসতে হতো ভাগাভোগীদের। কর্মকর্তরা বলছেন, একই দিনে সব ভাতাভোগী এক জায়গায় জড়ো হওয়ায় ভোগান্তি হতো। বৃদ্ধ, অসুস্থ, গর্ভবতী মা, প্রতিবন্ধী, শিশুসহ মাকে দূরে গিয়ে ভাতা গ্রহণ কষ্টকর হতো, থাকতো সরকারের নগদ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫৩ হাজার ২০৬ কোটি টাকা রবাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা বাজেটের ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং জিডিপির ২ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তার, সিজিএ আবুল ফয়েজ মো. আবিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

সৌদিতে নিষিদ্ধ তিন লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক

ডেস্ক রিপোর্ট

বাহরাইন বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিনই ফিরে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা

ডেস্ক রিপোর্ট

বাংলাদেশি নার্সদের চাকরির সম্ভাবনা আমেরিকায়

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত দিন