14.9 C
Dhaka
১২ ডিসেম্বর, বুধবার , ২০১৮ ০৩:৫০:৪২ পূর্বাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
জাতীয় বিশেষ শিরোনাম

যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত যে কোন কনটেন্ট যদি সরকারের কাছে দেশের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে হয়, তাহলে সরকার চাইলেই সেগুলো প্রতিরোধ করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কিছু প্রযুক্তি ব্যবহারের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। এসব প্রযুক্তির মধ্যে হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার দুটোই থাকতে পারে এবং খুব শিগগিরই এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে বলে জানান তিনি।

কিন্তু এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে কিভাবে ফেসবুক কিংবা ইউটিউবের কনটেন্টের ওপর নজর রাখা যায়?

এ বিষয়ে আয়ারল্যান্ডে সোশ্যাল মিডিয়া গবেষক এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড হেলথ গ্রুপের তথ্য প্রযুক্তিবিদ ড. নাসিম মাহমুদ জানান, সরকার চাইলে দুইভাবে এসব কন্টেন্টের উপর নজর রাখতে পারবে। প্রথমত, ফেসবুক বা গুগলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকার তথ্য চাইতে পারবে। অনেক দেশই তাদের প্রয়োজনে তথ্য চেয়ে থাকে। দ্বিতীয়ত, পরোক্ষভাবে নজরদারি করা, যেমন বিশেষজ্ঞ বা পারদর্শী কারো মাধ্যমে পুরো ফেসবুক নেটওয়ার্ককে মনিটর করা। এ ধরণের কাজের জন্য আলাদা কোম্পানি আছে। যারা আপনার হয়ে ফেসবুক বা গুগলের ওপরে নজরদারি করতে পারে। যদি ক্ষতিকর কোন শব্দ বা মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে চলে যায় তখন এই কোম্পানিগুলো আপনাকে সে বিষয়ে দ্রুত জানাতে পারবে।

তবে তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী যেটা বলছেন, সরকার এ ধরণের প্রযুক্তি আনতে যাচ্ছে, যেটা থেকে জানা যাবে যে কোথায়, কী ধরণের ভিডিও আপলোড হয়েছে, কে এসবের পেছনে জড়িত, সেগুলো নজরদারি করা যায় কিনা।
সুনির্দিষ্ট ভাবে এই ধরণের কাজ করার কোন প্রযুক্তি নেই বলে জানান ড. নাসিম মাহমুদ। তাঁর মতে, এ ব্যাপারে পারদর্শী কাউকে নিয়োগ দেয়া যায়, যার কাজ হচ্ছে প্রতিনিয়ত ওই মাধ্যমগুলোকে মনিটর করা। তবে মানুষের কাজটি এখন একটি সফটওয়্যার দিয়েই করা সম্ভব।

সফটওয়্যারে যদি নির্দিষ্ট কোন শব্দ বাছাই করে দেয়া হয়, তাহলে কেউ সেই শব্দ প্রকাশের সংগে সংগে সফটওয়্যারটি বিস্তারিত তথ্যসহ একটা ইমেইল পাঠিয়ে দেবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট শব্দের সাথে নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নাম এসেছে কিনা এবং সেটা ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক কিনা এ ধরণের কাজগুলো সেই সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা যায়। কেউ যদি অন্য কোন দেশে বসেও এমন কাজ করে থাকে তাহলেও সেই সফটওয়্যারটি দিয়ে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে। অনেকেই তাঁদের পেশাগত প্রয়োজনে এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন।

ড. নাসিম বলেন, “এটি ব্যাপকভাবে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করবে।” “আপনি যদি আগে থেকেই জানেন যে আপনি মুখ খুললে, আপনাকে খুঁজে বের করে জিজ্ঞেসাবাদ করা সম্ভব। তাহলে এই মুখ খোলার হার অনেক কমে যাবে।” ড. নাসিমের মতে, যারা মূলধারার গণমাধ্যমের কাছে তাঁদের মনের কথাগুলো বলার সুযোগ পান না তাঁরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দ্বারস্থ হোন। এখন যদি এই সামাজিক মাধ্যমের ওপর সরকার রীতিমত ঘোষণা দিয়ে সফটওয়্যারের সাহায্যে, বিশেষায়িত হার্ডওয়্যার দিয়ে বা শক্তিশালী কোন সার্ভার ব্যবহার করে সবার নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা করে তাহলে সাধারণ মানুষ কথা বলা থেকে বিরত থাকবে বলে জানান ড. নাসিম মাহমুদ।

#ভয়েস বাংলা/ এডি

সম্পর্কিত

বাংলাদেশের দিকে আসা জ্বলন্ত জাহাজটিকে আটকিয়ে দিলো ভারতের নৌবাহিনী

ডেস্ক রিপোর্ট

বঙ্গবন্ধুর খুনি নূরকে ফেরাতে ট্রুডোর সংগে কথা বলবেন হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট

খালেদা জিয়ার জামিনের রায় আগামীকাল

ডেস্ক রিপোর্ট

জোসেফের ক্ষমা নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট

ঈদের আগে-পরে ৯ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা

ডেস্ক রিপোর্ট

পদ্মা সেতুর ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত