ভয়েস বাংলা ডেস্ক: ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে বসেছিল ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসর। প্রতি চার বছর পর পুরো বিশ্বই মেতে ওঠে এই ফুটবলের মহাযজ্ঞে। এর পরে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ছড়িয়ে পড়ে  বিশ্বের আনাচ-কানাচে ।

১৯৩০ সালের আগে অলিম্পিকই ছিল ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা। কিন্তু ১৯৩২ সালের অলিম্পিকে ফুটবল আর থাকবে না বলে ঘোষণা আসে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়েই ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা করেন ফিফা।

ফিফার তখনকার সভাপতি জুলে রিমে অনেক কষ্টে রাজি করিয়েছিলেন বেলজিয়াম, ফ্রান্স, রোমানিয়া ও যুগোস্লাভিয়াকে। কেবল দক্ষিণ আমেরিকা থেকে অংশ নিয়েছিল সাতটি দেশ, আর কোনো বিশ্বকাপে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে এতগুলো দল কখনো খেলেনি। এ ছাড়া উত্তর আমেরিকা থেকে ছিল মেক্সিকো আর যুক্তরাষ্ট্র।

১৩টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করে শুরু হয়েছিল প্রথম পর্বের লড়াই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন চারটি দল খেলেছিল সেমিফাইনালে। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল উরুগুয়ে।

উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনা আর উরুগুয়ে প্রতিবেশী দুই দেশ। তখন আর্জেন্টিনা রাজি নয় উরুগুয়ের দেওয়া বল দিয়ে খেলার জন্য। পরে দুটি দলের মধ্যে আপসে দুই অর্ধে খেলা হলো দুই দলের বল দিয়ে।