এইআইভি পজেটিভ মানেই মৃত্যু। একাথা সবারই জানা। এইডসের সংগে লড়াইয়ে জয়ী হতে চলেছে পৃথিবীর মানুষ। একটি এইচআইভি প্রতিষেধক আবিস্কারের মধ্যদিয়ে সেরকমই আশা দেখাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ল্যানসেট এর গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে, ৩৯৩ জন মানুষের ওপরে এই পরীক্ষা চালানোর পর তাঁদের দেহে এইচআইভি প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৮৫০ বছর বয়সী সুস্থ মানুষের মধ্যে এই প্রতিষেধকের গবেষণা চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র, রুয়ান্ডা, দক্ষিণ আফ্রিকা, উগান্ডা আর থাইল্যান্ডের ঐ অধিবাসীরা ৪৮ সপ্তাহের মধ্যে ৪টি প্রতিষেধক গ্রহণ করেন। নির্দিষ্ট সময় শেষে প্রত্যেকের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাতেই এইচআইভি প্রতিরোধক তৈরি হয় এবং প্রতিষেধক নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত হয়।

‘প্রেপ’ বা ‘প্রি এক্সপোজার প্রোফাইল্যাক্সিস’ নামের এই ওষুধ, যেটি এইইচআইভি সংক্রমণ রোধে কার্যকর, নিয়মিত সেবন করতে হয়। অর্থাৎ আক্রান্ত হওয়ার আগেই নিয়মিত এই ওষুধ গ্রহণ করলে এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে না। এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সাথে মানিয়ে নিয়ে টিকে থাকতে পারে, যা এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরীর পেছনে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মনে করা হয়।

এমনকি, প্রতিষেধকটির মাধ্যমে কয়েকটি বানরের ওপর নিরীক্ষা চালিয়ে এইচআইভি’র কাছাকাছি একধরণের ভাইরাস নির্মূল করা গেছে বলেও দাবি করেছেন গবেষকরা। এই চিকিৎসার মাধ্যমে মানবদেহে এইচআইভি ভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করা সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা। বিবিসি