22.4 C
Dhaka
২০ অক্টোবর, শনিবার , ২০১৮ ১১:৩২:১৭ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
পাঁচমিশালী

হিরোশিমা বিস্ফোরণে চমকে যাওয়া কিছু তথ্য

ভয়েস বাংলা ডেস্ক: আজ ৬ আগস্ট হিরোশিমা দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের উপর ‌‌‌লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে। মুহূর্তের মধ্যে চমৎকার ঝকঝকে শহরটি পরিণত হয় মৃত্যুকূপে।

অনেকের ঘুম ভাঙেনি তখনও। অনেকে সবেমাত্র বেরিয়েছেন কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে। ঠিক এ সময় আকাশ হতে আছড়ে পড়লো ‘লিটল বয়’। কেঁপে উঠল জাপান। মার্কিন যুদ্ধবিমান ‘এনোলা গে’-র শরীর থেকে আকাশ কালো করে নেমে এসেছিলো সাক্ষাত মৃত্যু।

পারমাণবিক বোমায় লক্ষাধিক মানুষের হলো সলিল সমাধি। এ বিস্ফোরণে এক লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। যদিও বেসরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা এই সংখ্যার আড়াই গুণ। শহরের ৯০ শতাংশ বাড়ি একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো।

জেনে নিই হিরোশিমা বিস্ফোরণ নিয়ে কিছু চমকে দেওয়া তথ্য-

১. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে এই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় এক লক্ষ চল্লিশ হাজার মানুষের। বেসরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াই গুণ। শহরের নব্বই শতাংশ বাড়ি একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো।

২. লিটল বয় নামে প্রাণঘাতী নিউক্লীয় বোমাটি প্রায় ৫০০ মিটার উঁচুতে বিস্ফোরিত হয়। একসংগে ঘুমের মধ্যে এতো মানুষের মৃত্যুর সাক্ষাত পাওয়ার ইতিহাস আর নেই।

৩. মাত্র ০.৭ গ্রাম ইউরেনিয়ামের কারণেই সবচেয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয় বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এক ডলারের নোটের চেয়েও হালকা একটা পদার্থের কারণে এক ধাক্কায় প্রাণ হারান ৮০ হাজার মানুষ।

৪. হিরোশিমা বিস্ফোরণে বেঁচে যান সুতোমু ইয়ামাগুচি নামে এক ব্যক্তি। এরপর নাকি কাজে যোগ দিতে ট্রেন ধরে নাগাসাকিও পৌঁছান তিনি। ৯ অাগস্ট নাগাসাকি বিস্ফোরণ থেকেও বেঁচে যান তিনি।

৫. সেই সময় আমেরিকা যতটা ইউরেনিয়াম জোগাড় করতে পেরেছিলো, তার পুরোটাই নাকি বোমা বানাতে খরচ করেছিলো তারা।

৬. জাপানের আসাহি শিমবুনের এক হিসাবে বলা হয়েছে, বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগসমূহের কারণে দুই শহরে চার লাখের মতো মানুষ মারা যান। এদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।

৭. বিস্ফোরণের আগে লিফলেট ফেলে সতর্ক করা হয়েছিলো হিরোশিমাবাসীকে। যাতে তাঁরা নিরাপদ এলাকায় চলে যেতে পারেন। ১৫ মিনিট অন্তর রেডিওতে সতর্ক করা হয়েছিলো। হিরোশিমা হামলার পরেও লিফলেট ফেলে নাকি বলা হয়েছিলো, মাত্র একটা বোমাই ফেলা হয়েছে! সতর্ক করা হয়েছিলো নাগাসাকির বাসিন্দাদেরও।

৮. বিস্ফোরণের কয়েক সপ্তাহ পর ধ্বংসলীলার রঙিন ভিডিও ফুটেজ তুলে রেখেছিলো আমেরিকা। মার্কিন সেনাবাহিনী এ কথা গোপন করেছিলো। ২০১১ সালে এই তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

৯. মার্কিন যুদ্ধবিমান ‘এনোলা গে’র শরীর থেকে আকাশ কালো করে নেমে এসেছিলো সাক্ষাত মৃত্যু। ‘এলোনা গে’র ১২ জন সদস্যের মাত্র তিন জন এই অভিযানের আসল কারণটা জানতেন।

# ভয়েস বাংলা/ এটি

সম্পর্কিত পোস্ট

দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে

ডেস্ক রিপোর্ট

বাঘকে টাকা খাওয়াতে গিয়ে আঙুল খোয়া

ডেস্ক রিপোর্ট

চলে গেলেন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তোবারক হোসেন

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত দিন