আনজার শোয়াইব: উৎসব মানে বিশেষ উপলক্ষে আনন্দঘন পরিবেশ। উৎসবে মানুষ জেগে ওঠে, যাতায়াত যোগাযোগ বেড়ে যায়, সাক্ষাত-সম্মিলনের সুযোগ অবারিত হয়, উপহার আদান-প্রদানের এবং নতুন পোশাক-আশাক পরিধানের ধুম পড়ে যায়। মুসলিম বিশ্বে ঈদ উৎসবে সংযম সাধনায় ত্যাগের আনন্দ, আত্মশুদ্ধির এবং আত্মস্বার্থ উৎসর্গের প্রাণচাঞ্চল্য পরিলক্ষিত হয়।

এজন্যই ঈদের নামাজ আদায়ের আগেই জাকাত ও ফিতরা প্রদান করতে হয়। এটা ঈদুল ফিতরের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক তাৎপর্য। উন্মুক্ত ময়দানে ধনী-দরিদ্র উঁচু-নিচু সাদা-কালোর সব ভেদাভেদ ভুলে ঈদের জামাতে শামিল হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মিলনে পাড়াপড়শি থেকে শুরু করে সব পরিচিত-অপরিচিতের সংগে এক হওয়ার সুযোগ ঘটে। নামাজ শেষে কোলাকুলির মাধ্যমে সবাই ভেদাভেদ ও মনোমালিন্য ভুলতে চেষ্টা করেন। ঈদের দিন সবাই সাধ্যমতো নতুন পোশাক পরিধান করেন। একে অন্যের বাসায় পালাক্রমে দাওয়াত খাওয়া, যাতায়াতের মাধ্যমে সামাজিক সখ্য আরো দৃঢ় হয়।

শহরের মানুষ আপনজনের সংগে ঈদ উদযাপনের জন্য গ্রামে ছোটেন। ঈদে অনেকেই গ্রিটিংস হিসেবে আগে উপহারসামগ্রী পাঠিয়ে, রঙ-বেরঙের কার্ড পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইদানিং ই-মেইলে, ফেসবুকে ও এসএমএস-এ উইশ করছেন।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে সপ্তম-অষ্টম শতকেই মুসলমানদের আগমন ঘটে। পূর্ব-বাংলায় মুসলমানদের আগমন ঘটে মূলতঃ দু’টি কারণে। সুফি-দরবেশরা এদেশে এসেছিলেন ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে। তুর্কি-আরব বণিকদের উদ্দেশ্য ছিলো বাণিজ্য।

১২০৪ বা ১২০৫ সালের দিকে ভারতবর্ষের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হন মুসলমানরা। দিল্লির মসনদে সুলতান ইলতুতমিশ সমাসীন হবার পর থেকেই মূলতঃ সাড়ম্বরে ইসলামিক নানান আচার-অনুষ্ঠান পালনের রেওয়াজ শুরু হয়। দিল্লির মসনদে মুসলিমদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ফার্সি ভাষার পতিরা এ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে আসতে থাকেন। তাঁরাই লিখে গেছেন মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস। সেখান থেকে আমরা ষোড়শ শতকের দিকে ঢাকা ও এর আশেপাশে রোজা ও ঈদ-উৎসব পালনের চিত্তাকর্ষক চিত্র পাই।

১৬০৮ সালের দিকে সুবেদার ইসলাম খান মুঘল শহর ঢাকার পত্তন করেন। মূলতঃ ষোড়শ শতকেই রোজা এবং ঈদ-উৎসব পালনের বিষয়টি বিস্তৃতি লাভ করে। উপমহাদেশে মুসলমানদের আগমনের আরো আট কি নয় শতক পর তাঁদের ধর্মীয় আচারগুলো দৃশ্যমান হয়েছে। সবচেয়ে আড়ম্বরের সংগে তখন রোজা ও ঈদ-উৎসব পালিত হতো মুঘল সেনা ছাউনিতে। তখন ঈদের চাঁদ দেখার অভিজ্ঞতাও ছিলো মজার। চাঁদ উঠলে সবাইকে তোপধ্বনির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হতো। দূর-দূরান্তের মানুষকে ঈদের আগমন বার্তা পৌঁছে দিতে ভারী কামান দাগানো হতো।

ঈদগাহ নির্মাণেও মুঘলরাই ছিলেন অগ্রণী। ঢাকার ইতিহাস গ্রন্থে হাকিম হাবিবুর রহমান লিখেছেন, ‘সুবেদার শাহ সুজার নির্দেশে তাঁর প্রধান আমাত্য মীর আবু কাশিম ১৬৪০ সালে ঢাকার ধানম-িতে একটি ঈদগাহ নির্মাণ করেন। এটির দৈর্ঘ্য ছিলো ২৪৫ ফুট ও প্রস্থ ১৩৭ ফুট। ভূমি থেকে এর উচ্চতা ছিলো ৮ ফুট। এই ঈদগাহে এসে ঈদের নামাজ আদায় করতেন মুঘল সৈন্যসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।’ সে সময়কার ঈদ-উদযাপনের আকর্ষণীয় ছবি ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। বর্ণাঢ্য ঈদ-মিছিলের ছবিও সেখানে রয়েছে। একসময় ঢাকাবাসীর ঈদ-মিছিল ছিলো নজরকাড়া।

অন্য একজন গবেষক ঢাকার ঈদের বর্ণনা দিয়ে লিখেছেন, ‘ঈদের দিন নবাব সুজাউদ্দিনের অধীনস্থ নবাব মুর্শিদ কুলি খান ঈদগাহ পর্যন্ত পথে প্রচুর টাকা-পয়সা বিলি করতেন। নবাবের সহযাত্রী হয়ে নবারের কর্মচারি ও সাধারণ জনগণও ঈদগাহে যেতেন।’

ঢাকার নবাবদের ডায়েরিতে দেখা যায়, ঢাকার নবাব খাজা আহসানউল্লাহ বিভিন্ন পঞ্চায়েত থেকে কাসিদা দল বের করতে শুরু করেন। একটি বর্ণনায় আছে ‘আজ ১৯০৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বকর-ই-ঈদ। নামাজ পড়া-শেষে নবাব সাহেব আমাকে আদেশ দেন অন্যদের নিয়ে বিনা খরচে ক্লাসিক থিয়েটারে গিয়ে নাটক দেখতে।’

ঈদ-উদযাপনে একসময় ধর্মীয় আবহ বেশি থাকলেও বিশ শতকের শুরু থেকে এতে গুণগত পরিবর্তন আসে। ক্লাসিক থিয়েটারে নাটক দেখার মতো ঈদের দিনে নানান বিনোদন করার চল

তখন থেকেই শুরু। আজকাল টেলিভিশন চ্যানেলে এতো এতো ঈদ-আয়োজন উপভোগ করা বা ঈদের দিনে বাইরে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার রেওয়াজগুলোর শুরু বলা যায় নবাবদের ওই থিয়েটার দেখার সংস্কৃতি থেকেই।

তবে ঈদ-উদযাপন তখনো একপ্রকার সীমিতই ছিলো। শুরুর দিকে ঢাকার নবাব-বাড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঈদ-উৎসব পালিত হয়েছে। এছাড়া বিশ শতকের ত্রিশ বা চল্লিশের দশকেও ঈদ-উদযাপনে তেমন আড়ম্বর দেখা যায়নি। ১৯৩৭ সালে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক মন্ত্রিসভা গঠন করার পর মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ নেন। মুসলমানদের নানান সুযোগ-সুবিধা দিতে শুরু করেন। তখন থেকেই এখানে একটি অবস্থাপন্ন মধবিত্ত শ্রেণী গড়ে ওঠার পরিস্থিতি তৈরি হতে থাকে। কারণ, গ্রামীণ জোতদাররা তাঁদের সন্তানদের স্কুল-কলেজে শিক্ষার জন্য পাঠাতে থাকেন। ফলে লেখাপড়া শিখে চাকরি-বাকরি করে তাঁরা অবস্থাপন্ন হতে থাকলে ঈদ-উদযাপনের আয়োজনে ব্যাপকতা বাড়তে থাকে।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরও বাংলাদেশ নামের ভূখ-ে সেভাবে মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে ওঠেনি। ফলে দেশে ঈদ নিয়ে এতো জাঁকজমক ছিলো না। পাকিস্তান আমলের শেষদিকে মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে উঠতে থাকলে কিছুটা আড়ম্বর বাড়ে। তবে সেটাও তেমন কিছু নয়।

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরই ধীরে ধীরে অবস্থাপন্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে উঠতে থাকে। আশির দশক থেকে রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের বিপুল বিকাশ ঘটতে থাকে। বিদেশের শ্রমবাজারগুলোতে আমাদের শ্রমশক্তি কাজ করতে শুরু করেন। এসব কারণে গ্রাম-শহরের জনগোষ্ঠির আর্থিক সামর্থ্য বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীবে একটি বড়সড় মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে ওঠে। গত চার-পাঁচ দশকে এখানে কিছুটা ইসলামাইজেশন যেমন হয়েছে তেমনি উৎসবগুলোও ব্যাপকতা পেয়েছে। মানুষের সামর্থ্য বেড়েছে বলে এখন ঈদ-আয়োজনে বর্ণাঢ্যতা এসেছে। গ্রামের যে মেয়েটি গার্মেন্টসে কাজ করতে ঢাকায় আসে, সে ঈদের ছুটিতে গ্রামে ফেরে আপনজনদের জন্য উপহার নিয়ে। কিছু নগদ অর্থও মা-বাবার হাতে তুলে দেয়। গ্রামের ছেলেটি বিদেশে গিয়ে বিপুল অর্থের মালিক হয়ে দেশে ফিরছে, পরিবার-পরিজনদের জন্য প্রচুর উপহার নিয়ে আসছে। শহর-মফস্বলের কিছু মানুষ চাকরি-বাকরি এবং ব্যবসার সূত্রেও স্বচ্ছল হয়েছে। এদের আর্থিক সামর্থ্যই বাংলাদেশের ঈদ-উৎসবকে জাঁকজমকপূর্ণ করেছে।

ঈদ-উৎসব এখন শুধু উৎসব নয়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্যও সুফলদায়ক। এদেশে এখন সারা বছর যতো না ব্যবসা হয়, ঈদের সময় তার কয়েকগুণ বেশি হয়। খাবার-দাবার থেকে শুরু করে পোশাক-পরিচ্ছদ, এমনকি বিনোদনের জগতেও বিরাট বাণিজ্যের সুযোগ করে দেয় এই উৎসব। চ্যানেলে চ্যানেলে আজ যে এতো আয়োজনের পসরাÑ তার কারণ এই ভূখ-ের জনগোষ্ঠির উৎসব-উদযাপনের ব্যাপকতা।

আরেকটি দিক দিয়ে আমাদের দেশে ঈদের তাৎপর্য অসাধারণ। ঈদ গ্রাম-শহরের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চিন্তার আদান-প্রদান ঘটাতে সাহায্য করছে। ঈদ-উৎসব উদযাপনের জন্য শহুরেরা গ্রামে ছুটে যান। আনন্দ-উল্লাসে মেতে থাকেন ক’টি দিন।

আমাদের ঈদ-উৎসবে যতোটা না ধর্মীয় আবহ থাকে, তার চেয়েও অনেক বেশি এটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক চেতনা তৈরিতে সাহায্য করে। দেশের মানুষকে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে, স্বজনদের সংগে সুন্দর আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ করে দেয়।

আমাদের ঈদ-সংস্কৃতি: ঈদ উৎসবের মূল হলো দেশের বাড়ি বা গ্রামের বাড়ির টান। যেখানে নাড়ীর ঠিকানা। দাদা-দাদী, নানা-নানী, চাচা-চাচী, মামা-মামী, ভাই-বোন, আরও কতো আত্মীয়-স্বজন।

ঈদ এক অপার আনন্দের এবং আনন্দঘন অপেক্ষার প্রহর। বন্ধু-বান্ধবীদের সংগে মাতামাতি, ঈদ কার্ডের শুভেচ্ছা বিনিময়ে মেতে ওঠা। ঈদগাহ্ মাঠে ব্যানার ফেস্টুনে ছড়ানো-ছিটানো পবিত্রতার ঘ্রাণ।

সময়ের পালাবদলে বাংলাদেশে ঈদ-উদযাপনের সংগে নানান উৎসব ও সাংস্কৃতিক চালচিত্র যোগ হয়েছে। শহুরে ও গ্রামীণ ঈদ-উৎসব প্রায় অভিন্ন হলেও এলাকাভেদে রয়েছে বেশকিছু তারতম্যও। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদ উদযাপনে ধর্মীয় আবহের সমান্তরালে নানান ধরনের গান, নাট্য, নৃত্য, ক্রীড়া ও নির্মল আনন্দের ব্যাপক আয়োজনও চোখে পড়ে। যেমন- কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ঈদ উপলক্ষে ঝাঁপান খেলার আয়োজন করে থাকেন। চুয়াাডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায়ও ঝাঁপান খেলার প্রচলন রয়েছে। ঝাঁপান খেলায় মূলতঃ একদল সাপুড়ে তাঁদের সংগৃহীত ফণাতোলা শ্রেষ্ঠ সাপগুলো নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের গ্রামীণ ঈদ-উৎসবে আরেকটি আয়োজনের কথা শোনা যায়। এর নাম বহুরূপী। মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলায় ঈদ উপলক্ষে বহুরূপী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মোট ছয়টি পর্বে বিভক্ত বহুরূপীর পরিবেশনার প্রথম পর্বে লাঠিখেলায় বাঙালির শৌর্য-বীর্যের প্রকাশ ঘটে। দ্বিতীয় পর্ব থালানৃত্যে ছান্দিক নৃত্যকৌশলের চৌম্বকীয় গুণ প্রত্যক্ষ করা যায়। তৃতীয় পর্ব হলো জাদু। চতুর্থ পর্বে মুখোশের ব্যবহারে পরিবেশিত বুড়ো-বুড়ির সংগে গ্রামীণ জীবনে বহু-বিবাহের সমস্যার কথা হাস্যরসাত্মক নাটিকা উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়। পঞ্চম পর্বে ভালুক নাচ। এতেও মুখোশের ব্যবহার হয়।

বাংলাদেশের গ্রামীণ ঈদ-উদযাপনের তৃতীয় অনুষ্ঠান হলো- সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের লাঠিখেলা। প্রতিবছর ঈদের পরদিন সিরাজগঞ্জ জেলার অনেক গ্রামে লাঠিখেলার আয়োজন করা হয়। লাঠিখেলার শুরুতে থাকে ডাক ও বন্দনা। এরপর একে একে দুই লাঠি, চার লাঠি, ছয় লাঠি, আট লাঠিসহ লড়ি খেলা, সড়কি খেলা, ফড়ে খেলা, ডাকাত খেলা, বানুটি খেলা চলে। এর মধ্যে ডাকাত খেলার কাহিনিভিত্তিক উপস্থাপনা ঈদ উপলক্ষে সবচেয়ে জনপ্রিয়। লাঠিখেলার আসরে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ঢোলক, কর্নেট, ঝুমঝুমি, কাড়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। শিশু থেকে শুরু করে যুবক, বৃদ্ধ- সব বয়সের পুরুষ সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের লাঠিখেলায় অংশ নিয়ে থাকেন। লাঠিখেলার এমন আয়োজন সিরাজগঞ্জ ছাড়িয়ে ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, জয়পুরহাট, পঞ্চগড়, নড়াইল প্রভৃতি অঞ্চলেও ভিন্ন ভিন্ন নামে প্রত্যক্ষ করা যায়। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদ-উদযাপনের নানান চিত্র ও ব্যঞ্জনা পরিলক্ষিত হয়।

ঝাপান খেলা

যে যাই বলুন না কেন, বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠির কাছে ঈদুল ফিতর এক বিশাল আনন্দঘন অনুষ্ঠান। আবাল-বৃদ্ধবণিতা, ধনী-দরিদ্র সবার জন্য আনন্দমুখর এই দিন। এই দিনে সবাই আপনজনের সান্নিধ্য পেতে চান। এই দিনের আনন্দে ছোট-বড় সবাই হাত ধরাধরি করে অগ্রসর হন। ঈদের নামাজ শেষে উষ্ণ কোলাকুলিতে প্রাণের আবেগ বিলিয়ে দেয়া, মুরুব্বিদের সালাম করে তাঁদের স্নেহে ভাগ বসানো- সবই বাংলাদেশের ঈদ-উৎসবের নানান উপকরণ।

এবারও ঈদ উৎসবের আনন্দে রঙিন হয়ে উঠুক বাঙালির চেতনা ও মনন। ঈদ হোক গ্লানি মোচনের- এটিই প্রত্যাশা।

  সকলকে ভয়েস বাংলা পরিবারের পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক।