21.7 C
Dhaka
১১ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার , ২০১৮ ০৭:১০:২৬ অপরাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
জাতীয় প্রচ্ছদ শিরোনাম

২৩ ডিসেম্বর ভোট : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক:  আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ নবেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় এই তারিখ জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে সম্প্রচারিত হয়েছে এই ভাষণ।

১৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের এই ভাষণে সিইসি নুরুল হুদা তাঁর ভাষণে তফসিল ঘোষণায় বলেন, সংবিধানে অনুচ্ছেদ ১২৩ দফা (৩) উপদফা (ক) অনুসরণ করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করছি। সিইসি জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নবেম্বর। এরপর আগামী ২২ নবেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন। বাছাই শেষে কমিশন যাদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করবে, তাঁরা ২৯ নবেম্বর পর্যন্ত তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। এরপর ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ভোট। সে হিসাবে তফসিল ঘোষণার ঠিক ৪৫ দিন পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের যাবতীয় প্রস্তুতি তুলে ধরেন। ভাষণে সব নাগরিককে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি। সিইসি তাঁর ভাষণে নির্বাচনী আইন ও বিধি সংশোধনের তথ্য তুলে ধরেন, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণের পর চূড়ান্ত সংসদীয় আসনের তালিকা প্রকাশ করেন। এছাড়া ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকাও তুলে ধরেন তিনি।

সিইসি জানান, নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে ৭ লাখ কর্মকর্তা কাজ করবেন। এছাড়া নির্বাচনী এলাকাগুলোতে বিপুলসংখ্যক নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় লাখ সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি সর্বস্তরের জনগণকে নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে একে অন্যের প্রতি সহনশীল ও রাজনীতিসুলভ আচরণের অনুরোধ জানান তিনি। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা জানিয়ে সিইসি বলেন, এই প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেনো কখনো প্রতিহিংসা বা সহিংসতায় পরিণত না হয়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ জানাই।

নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অল্প কিছু আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, প্রথাগত পদ্ধতির পাশাপাশি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে অনেকগুলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে আংশিক ও পূর্ণাংগ ভোটগ্রহণে ইভিএম ব্যবহার সফল হয়েছে। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইভিএমের উপকারিতা সম্পর্কে ভোটারদের জানানো হয়েছে। তাঁরা ইভিএম ব্যবহারে উৎসাহ দেখিয়েছে।

ভাষণের শুরুতেই সিইসি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং ভাষা আন্দোলনে প্রাণ হারানো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

#ভয়েস বাংলা/ এডি

সম্পর্কিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক অপশক্তি মদদ দিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট

পরিবেশ দূষণে বছরে ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট

জাতিসংঘের সিডিপির সদস্য হলেন ড. দেবপ্রিয়

ডেস্ক রিপোর্ট

ব্রেক্সিট বিল পাস, ইইউ ছাড়তে আর বাঁধা নেই যুক্তরাজ্যের

zeus

চুক্তিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে পাঁচ কোম্পানির নিবন্ধন বাতিল

ডেস্ক রিপোর্ট

আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত