আন্তর্জাতিক ডেস্ক: থাইল্যান্ডের গুহা থেকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধার পাওয়া থাই কিশোর ফুটবল দলের তিন সদস্য ও তাদের কোচকে নাগরিকত্ব দিয়েছে থাইল্যান্ড।

বুধবার উত্তরাঞ্চলীয় চিয়াং রাই প্রদেশের মায়ে সাই জেলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে থাইল্যান্ডের নাগরিকত্বের কার্ড তুলে দেন জেলার প্রধান কর্মকর্তা সোমসাক কানাকাম। বিবিসি।

ওই এলাকার একটি পার্বত্য গুহায় কিশোর ফুটবল দলটি আটকা পড়ার পর জানা যায়, দলটির তিন সদস্য ও তাদের কোচও থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৪,৮০,০০০ রাষ্ট্রহীন শরণার্থীরদের মধ্যে আছেন।

এই খবর চাউর হলে তাদের নাগরিকত্বের আবেদন গ্রহণ করার বিষয়ে জনমত তৈরি হয়। কিশোর দলটির ওই তিন সদস্যের জন্ম থাইল্যান্ডে বলেও খবর হয়।

২৩ জুন কিশোর ফুটবল দলটির ১২ সদস্য ও তাদের কোচ থাম লুয়াং গুহায় ঘুরতে গিয়ে আটকা পড়ে। তারা গুহার ভিতরে থাকার সময় বাইরে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হলে পাহাড়ি ঢলের পানি গুহায় প্রবেশ করে তাদের বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেয়।

নয় দিন গুহায় আটকা থাকার পর দুই ব্রিটিশ ডুবুরি গুহার অনেকটা ভিতরে তাদের সন্ধান পান। এর আরো ছয় দিন পর আটকা পড়া দলটির কয়েক সদস্যকে প্রথম বের করে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। ১৮ দিন পর ১০ জুলাই সবাইকে উদ্ধার করে গুহার বাইরে আনার পর এক রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার অবসান হয়।

এই পুরো সময়টিতে গুহায় আটকা পড়া ওই কিশোরদের নিরাপদ রাখার জন্য তাদের কোচ একাপল চান্তাওয়ং ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন।

থাইল্যান্ডে বসবাস করা রাষ্ট্রহীন শরণার্থীদের মধ্যে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস ও চীনের সীমান্ত অঞ্চলে বসবাস করা বিভিন্ন যাযাবর পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

# ভয়েস বাংলা/ এটি