20.4 C
Dhaka
৩০ নভেম্বর, শুক্রবার , ২০১৮ ১২:২৮:২৪ পূর্বাহ্ণ
ভয়েস বাংলা
বিনোদন

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ নিয়ে এবারও বিতর্ক

বিনোদন ডেস্ক: গতবারের মতো এবারও বিতর্ক পিছু নিয়েছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার। এবার বিতর্ক শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতায় সেরা দশে জায়গা করে নেয়া ‘বিহেভিয়ার অ্যাওয়ার্ড’প্রাপ্ত আফরিন সুলতানা লাবণীকে ঘিরে।

দ্বিতীয়বারের মতো ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আয়োজক সংস্থা অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী গত ১৬ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘এবার কোনো প্রতিযোগী মিথ্যা তথ্য দিলে কিংবা তথ্য গোপন করলে, পরে তা প্রমাণিত হলে সেই প্রতিযোগীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। কারণ, গত বছর মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় প্রতিযোগিতা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিলো। তাই এবার কেউ মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিবাহিত বা সন্তানের মা হয়েছেন- এমন কেউ অংশ নিতে পারেন না। কিন্তু ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ প্রতিযোগিতায় জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল তথ্য গোপন করেছিলেন। পরে বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাঁকে বাদ দিয়ে প্রতিযোগিতার প্রথম রানারআপ জেসিয়া ইসলামকে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ ঘোষণা করা হয়।

কিন্তু এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেক পরই জানা গেলো, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ‘বেস্ট বিহেভিয়ার’ অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত আফরিন সুলতানা লাবণী তাঁর বিয়ের তথ্য গোপন করেছেন। শুধু তাই নয়, এই প্রতিযোগীর বিরুদ্ধে তাঁর সাবেক স্বামীর মামলাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই গণমাধ্যমে তাঁদের বিয়ের কাবিননামা ও কাগজপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ৩০ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হন পিরোজপুরের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। তবে ঐশীর চেয়ে আসরে বেশ আলোচনায় ছিলেন লাবণী ও অনন্যা। গ্র্যান্ড ফাইনালে ‘তিনটি উইশ’ নিয়ে বিচারক ইমি’র প্রশ্নের হাস্যকর জবাব দিয়েছিলেন লাবণী। সোস্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে ব্যাপক ট্রল হয়।

এবার বিতর্কের শুরু লাবণী’র বিয়ে নিয়ে। লাবণী’র কাবিননামা সূত্রে জানা যায়, তাঁর সাবেক স্বামী জামালপুর সদরের বাগেরহাটা কলেজ রোডের বাসিন্দা আতাউর রহমান আতিক। পেশায় ব্যবসায়ী আতিক কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন। আতিকের দাবি, ২০১৪ সালের ১৮ আগস্ট আদালতে গিয়ে লাবণীকে বিয়ে করেন। ২০১৬ সালের ১৭ মে তাঁদের তালাক হয়। এরপর লাবণীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলাও করেছেন আতিক, যা বর্তমানে বিচারাধীন।

আতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের শেষ দিকে লাবণীর সংগে পরিচয়ের একপর্যায়ে তাঁর প্রেম হয়, যা বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। লাবণী তখন ইডেন কলেজে পড়তেন এবং আতিক ঢাকায় থাকতেন। বিয়ের পর লাবণীর মায়ের চিকিৎসা এবং লাবণীর পেছনে প্রচুর টাকা খরচ করেছেন তিনি। সে সময় রাজধানীর চকবাজারে সামসুল হক টাওয়ারে লাবণী’র নামে আতিকের দু’টি দোকান থাকলেও এখন নেই।

আতাউর রহমান আতিক অভিযোগ করেন, লাবণী আমার অনেক টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। ওর নামে চুরির অভিযোগে মামলাও করেছি। মামলাটি চার্জশিট হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এখন সে ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ২০১৬ সালের মামলা ২০১৮ সাল পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।

উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে লাবণী’র মন্তব্য সংগ্রহ করা যায়নি। তবে লাবণী’র বাবা আবদুল করিম গণমাধ্যমের সংগে আলাপকালে মেয়ের বিয়ে ও তালাকের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ভয়েস বাংলা # ইই

সম্পর্কিত

মামলায় জড়িয়ে সিনেমার নাম পরিবর্তন

ডেস্ক রিপোর্ট

আবারও জোড়া লাগলো সালমান-ক্যাটের প্রেম !

ডেস্ক রিপোর্ট

‘ফিরোজা বেগম স্বর্ণপদক’ পেলেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা

ডেস্ক রিপোর্ট

অপু বিশ্বাস থাকছে অনন্ত জলিল ও বর্ষার সাথে

ডেস্ক রিপোর্ট

সালমানের টিউবলাইটে মোড় ঘোরাবেন শাহরুখ

ডেস্ক রিপোর্ট

এবার ‘মি টু’ অভিযোগ উঠলো দক্ষিণী অভিনেতার বিরুদ্ধে

ডেস্ক রিপোর্ট

মতামত